দৈনিক উত্তরের নিউজ

 সারাদেশ সারাদেশ

মতামতমতামত

তারাগঞ্জ প্রতারণায় বিয়ে ও জোরপূর্বক তালাকের অভিযোগ

প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে স্ত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক তালাক দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার এক যুবকের বিরুদ্ধে।তালাকের পরও হুমকি, ভয়ভীতি ও হয়রানির শিকার হয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী নারী।ভুক্তভোগী মোছা. মমতা বেগম নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কিসামত ডাঙ্গি হেডপাড়া এলাকার মাহাতাব উদ্দিনের কন্যা। নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।মমতা বেগম জানান, পারিবারিক সম্মতিতে ২০২৩ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর ডাঙ্গাপাড়া (দিলালপুর) গ্রামের আব্দুর ছাত্তারের পুত্র আতিকুল ইসলামের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। সরকারি বিধি অনুযায়ী রেজিস্ট্রি কাবিননামার মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন হয় এবং দেনমোহর নির্ধারণ করা হয় ৪ লাখ ৫০ হাজার ২০৫ টাকা।বিয়ের সময় আতিকুল ইসলাম নিজেকে ঢাকায় কর্মরত গোয়েন্দা বিভাগের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন বলে অভিযোগ করেন মমতা বেগম। ওই পরিচয়ের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে মোটরসাইকেল ক্রয় ও তারাগঞ্জে বাড়ি নির্মাণের কথা বলে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে ১৫ লক্ষাধিক টাকা নগদ গ্রহণ করেন আতিকুল ইসলাম।এছাড়াও প্রতারণার অংশ হিসেবে মমতা বেগমের নামে সৈয়দপুর সিটি ব্যাংকের একটি হিসাব (অ্যাকাউন্ট নম্বর– ২১০১৮৫২৪২০০০১) থেকে স্বাক্ষর করা তিনটি চেকের পাতাও নিয়ে নেন বলে অভিযোগ করেন মমতা । একইভাবে বিভিন্ন অজুহাতে মমতার পরিবারের কাছ থেকেও ছয় লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎ করা হয়।ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের সময় তার পরিবার স্বামীর বাড়িতে টেলিভিশন, ফ্রিজসহ প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালঙ্কার প্রদান করে। দাম্পত্য জীবনে তিনি নিয়মিত মানসিক নির্যাতন ও পারিবারিক চাপের শিকার হন। একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, আতিকুল ইসলাম এর আগেও ঢাকায় আরেকটি বিয়ে করেছিলেন, যা বিয়ের সময় গোপন রাখা হয়েছিল।এই তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়। উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা করা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি বলে জানান তিনি।মমতা বেগম দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে তালাক দেওয়া হয়। তবে তালাকনামার কোনো কপি তাকে দেওয়া হয়নি।তালাকের পর থেকেই প্রাক্তন স্বামী আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্নভাবে চাপ, ভয়ভীতি ও হয়রানি করে আসছেন।তিনি আরও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তারাগঞ্জ এলাকায় আতিকুল ইসলামের বাড়িতে গেলে তার ওপর হামলার চেষ্টা করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।মমতা বেগম বলেন,আমাকে বিয়ে দিতে আমার বাবার ১৫ লক্ষ টাকারও বেশি খরচ হয়েছে। আমার দোষ কী ছিল? প্রতারণার মাধ্যমে আমাকে বিয়ে করেছে আতিকুল। বিয়ের সময় সে মিথ্যা পরিচয় দিয়েছিল এবং আগের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিল। এভাবেই সে মানুষকে সর্বস্বান্ত করছে।বর্তমান পরিস্থিতিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রশাসনের সার্বিক সহায়তা দাবি করেছেন ভুক্তভোগী নারী।এ বিষয়ে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খুলনা নগরীর ৬ নম্বর ঘাট এলাকা থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নৌ-পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এমভি তাওছীফ আয়মান–২ ও এমভি ক্রাউন–৩ নামের দুটি লাইটার ভেসেলের মাঝখানে নদীতে ভাসমান অবস্থায় লাশটি দেখতে পান স্থানীয়রা।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এমভি তাওছীফ লাইটার ভেসেলের সুকর্ণী মিলন ঘোষ নদী থেকে পানি সংগ্রহ করতে গেলে দুটি ভেসেলের মাঝখানে ভাসমান একটি মরদেহ চোখে পড়ে। বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে খুলনা থানায় খবর দেন। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নৌ-পুলিশকে অবহিত করে।খবর পাওয়ার আনুমানিক দুই ঘণ্টা পর নৌ-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।নৌ-পুলিশ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল আক্তার জানান, প্রাথমিক যাচাই শেষে জরুরি টিম পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিহত যুবকের মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে তার পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে আশপাশের এলাকা ও নৌযান সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

ফার্মেসিতে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা

মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ি উপজেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি ফার্মেসিকে জরিমানা করা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রদর্শন ও সংরক্ষণের দায়ে দেবনাথ ফার্মেসিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত টংগিবাড়ি বাজার এলাকায় মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়। অভিযানে দেবনাথ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের প্রমাণ পাওয়া যায়।এ সময় ফার্মেসির মালিক সুশান্ত দেবনাথকে জরিমানার পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ বা বিক্রির জন্য প্রদর্শন না করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ। এ সময় সহযোগিতা করেন জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এ বি এম মিজানুল হক এবং টংগিবাড়ি থানা পুলিশের একটি দল।

রেজিস্ট্রার ও লেখকের ৩০ লক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ

 ব্যক্তিগত লাভবান, গোপন আঁতাত ও যোগসাজশের কারণে সরকারের রাজস্ব আদায়ে প্রধান বাধা বা অন্তরায় হয়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদরের  সাব-রেজিস্ট্রার ও দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র  জানা যায়, জমিতে ৭ তলা বাড়ি থাকার পরেও প্রকৃত তথ্য গোপন করে  দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে, বিক্রয় কবলা দলিল রেজিস্ট্রেশনের ঘটনা ফাঁস হয়ে পড়ায় তোলপাড় চলছে। তবে এসব অপকর্মের ঘটনা সহসাই ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে জোরালা তদবির চালানো হচ্ছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।অভিযোগ উঠেছে, গত ২৪শে নভেম্বর-২০২৫  একটি রেজিস্ট্রেশনকৃত দলিল সাতক্ষীরা  সদরের   (ইসলামী হাসপাতালের পশ্চিম পার্শ্বে)-এর মৃত শেখ আব্দুল কাইয়ুম কন্যা সালমা খাতুন  ৩টা দলিল সূত্রে প্রাপ্ত হয়, সাতক্ষীরা টু খুলনা হাই উয়ে রোড এর সাথে  পলাশপোল মৌজায় সাবেক ৬১৭৩ দাগের বাটা ১৪৬৫৩ দাগের হাল  ১৪৫৭৭ দাগের ৬ শতাংশ জমিসহ পাকা আবাসিক স্থাপনা ব্যক্তিগত লাভের কারণে  ৩ কোটি  টাকায় (দলিল মূলে ) বিক্রয় করেন।  ৭ তলা বাড়ির যাহার  স্থাপনা ১৬০০০ থেকে ১৮০০০ স্কায়ার ফুট। উক্ত আবাসিক পাকা স্থাপনাসহ জমি ক্রয় করেন পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর। দলিল লেখালেখির কাজ সম্পাদন করেন   মোঃ মিজানুর রহমান   (দলিল লেখক সনদ নং-১১/১৬)। জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত সরকারি আবাসিক স্থাপনার উপরে( ৫.৫% + ৬%)= ১১.৫%ফিসের (ভ্যাট-ট্যাক্স) পাশাপাশি যদি আবাসিক (স্থাপনা) থাকে তাহলে অর্থবিল-২০১৯ আওতায় এফএফ-৫৩ (উৎসেকর) মোতাবেক আরও অতিরিক্ত ৫% হারে সরকারের রাজস্ব (ভ্যাট-ট্যাক্স) আদায় করে চালানের মাধ্যম রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করার বিধি-বিধান বা আইন আছে।কিন্তু সদরের সাব-রেজিস্ট্রার অমায়িক বাবু ও দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান  পরস্পর যোগসাজশে নিজেরা লাভবান হয়ে আইনের প্রতি বদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উক্ত বিক্রয় কবলা দলিলে নাম সত্ত্বে কিছু আবাসিক স্থাপনা নেই মর্মে উল্লেখ করে । অতিরিক্ত ৩০ লাখ টাকার ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি (রিবেট) দেয়ার সুযোগ করে দেয়ার অভিযাগ রয়েছে।প্রায় ৩০ লক্ষ এর অধিক ভ্যাট-ট্যাক্স (রাজস্ব) ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠছে  দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান এর বিরুদ্ধে।দলিলদাতা সালমা খাতুন জানান, আমার বাসা বাড়ির সব কাগজপত্র দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমানকে দেওয়া হয়েছে। যদি বাসা-বাড়ির তথ্য গোপন করে রাজস্ব ফাঁকি দেয় তার জন্য তারাই দায়ী। দাতা আরোও বলেন দলিল লেখক মোঃ মিজানুর রহমান আমাকে বলেন যে আপনি বলবেন বাড়ি সহ ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় বিক্রয় করছি। আমাকে যেভাবে শিখায়ে দিয়েছে সেই ভাবে বলছি। দলিল লেখককে বার বার বলেছি দলিলে পাকা বাড়ি উল্লেখ করার জন্য। কিন্তু সে বলছে অল্প স্কায়ার ফুট দিলে হবে কোন সমস্যা হবে না।  তথ্য গোপন করে বাড়ি বা অল্প স্থাপনা  উল্লেখ করে দলিল করে দিয়েছে। রাজস্ব ফাঁকি দিলে দলিল লেখক মোঃ মিজানুর রহমান দিয়েছে। তাই সমস্ত দায়-দায়িত্ব তার। দলিল গ্রহিতা মো: জাহাঙ্গীর এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফোন নং ফোন দিলে তার ফোন নং টি বন্ধ দেখায়।  একাধিক সূত্র জানা গেছে, সদরের সাব-রজিস্ট্রার অফিস ঘুষ-দুর্নীতির কারিগর হিসেবে একের পর এক সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অভিযাগ উঠলেও দেখার কেউ নেই বলে সাতক্ষীরা সদরের সাধারণ মানুষ ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছে। এ ব্যাপারে সাব-রেজিস্ট্রার  অমায়িক বাবু  বলেন, দলিল লেখকর আমাকে না জানালে কীভাবে জানবো। এসব ঘটনায় খুব ঝামেলা হয়। ডেমারেজও দেয়া লাগে। তিনি কোনো ঘুষ খান না। যদি কেউ বলে থাকে তাহলে মিথ্যা বলেছে।

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষকে বিরুদ্ধে।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে ক্বওমী মাদ্রাসায় পড়ুয়া ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে শিশুকে ধর্ষণের (বলাৎকার) অভিযোগে আল-আমিন (২২) নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে শহরের প্রধান সড়কে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুলি দিয়ে ঘুরিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে তারা। ঘটনাটি শুক্রবার সন্ধ্যার পর শহরের আক্কেলপুর-বদলগাছী সড়কের আক্কেলপুর দারুল কোরআন পৌর ক্বওমী মাদ্রাসায় ঘটেছে। এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে আক্কেলপুর থানায় মামলা করা প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত শিক্ষক পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি স্বীকার করেছেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  ওই মাদ্রসায় শিশুটি আবাসিকে থেকে হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করতেন। গত ১ ডিসেম্বর মাদ্রাসার শিক্ষক শিশুটিকে তার কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ (বলাৎকার) করে। এরপর শিশুটি শুক্রবার বিকালে বাসায় গিয়ে নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে মনভার করে বসে থাকে। তার মা বিষয়টি জানতে চাইলে সে কান্নাজড়িত কন্ঠে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে সন্ধ্যার পর শিশুটির পরিবার এলাকার কয়েকজনকে সাথে নিয়ে ওই মাদ্রাসায় এসে ঘটনাটির কারণ জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা আটক করে মারপিট করে শহরের প্রধান সড়কে নাকে খৎ দিয়ে হামাগুলি দিয়ে ঘুরিয়ে থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে থানায় নিয়ে যায়।শিশুটির মা বলেন, আমার ছেলেকে ওই মাদ্রাসায় হাফেজ হওয়ার জন্য ভর্তি করিয়েছি। ওই শিক্ষক আমার ছেলের সাথে কয়েকদিন আগে যে খারাপ কাজ করেছে সেগুলো বাসায় এসে কান্না করতে করতে আমাকে জানায়। আমি ওই কুলাঙ্গার শিক্ষকের বিচার চাই। অভিযুক্ত আল-আমিন নামের ওই শিক্ষক ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, আমি শয়তানের প্রলোভনে পড়ে ছাত্রের সাথে কু-কর্ম করেছি। এঘটনায় আমি অনুপপ্ত বোধকরছি। আমি ভুল করেছি। আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে আটকে রেখে আমাদের খবর দিলে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়েছি। এঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করার প্রস্তুুতি নিচ্ছেন। ওই শিক্ষক ঘটনাটি প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কারাবন্দি ইমরান খানের বক্তব্য জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি: আইএসপিআর

পাকিস্তান আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বলেছেন, ‘কারাবন্দি ইমরান খানের বক্তব্য এখন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, তিনি (ইমরান খান) কারাবন্দি অবস্থায় থেকেও মনে করেন, যদি তিনি ক্ষমতায় না থাকেন, তাহলে দেশে কিছুই চলবে না।পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ও কারাবন্দি ইমরান খানকে উদ্দেশ করে জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেন, ‘ওই ব্যক্তির রাজনীতি শেষ। তিনি নিজের অহংকার ও আবেগেই বন্দি হয়ে আছেন।’পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে অভিযোগ করে আইএসপিআর ডিজি বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে দেওয়া হবে না। সন্ত্রাসীদের বিদ্রোহ থেকে জনগণকে রক্ষা করার জন্য সেনাবাহিনী রয়েছে।           আহমেদ শরীফ আরও বলেন, ওই ব্যক্তি (ইমরান খান) জনগণকে বিদ্যুৎ বিল না দিতে এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স বন্ধ করতে উসকানি দিয়েছেন। এমনকি আর্মির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। পাকিস্তান আর্মির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে নেতিবাচক বক্তব্য কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।  সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ বলেন, সেনাবাহিনী কোনো আঞ্চলিকতা, ধর্মীয় ভাবধারা বা রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী নয়। কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা আমরা অনুসরণ করি না। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে রাষ্ট্রের ওপরে তুলে ধরা হচ্ছে—এখনই সেই নেতিবাচক বর্ণনার অবসান ঘটাতে হবে।আইএসপিআর মহাপরিচালক অভিযোগ করেন, কারাবন্দি ওই রাজনৈতিক নেতা এনডিইউ-তে কোর্স করা নিজের কর্মীদেরই দেশদ্রোহী বলেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যমও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাতে ও বিভাজন সৃষ্টি করতে সক্রিয়।তিনি আরও বলেন, মূল বক্তব্যটি দিচ্ছে একজন মানসিকভাবে অস্থির ব্যক্তি, আর বিশ্বজুড়ে থাকা কিছু সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক সেই কথাগুলোই প্রচার করছে। ওই দলের রাজনৈতিক মানসিকতা এমন যে—তারা ক্ষমতায় থাকলেই গণতন্ত্র ভালো, অন্যথায় তা খারাপ।এছাড়াও সংবিধান জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের অনুমতি দেয় না বলেও দাবি করেন পাকিস্তান আইএসপিআর মহাপরিচালক।

ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় ছাত্র শক্তির মতবিনিময় সভা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জাতীয় ছাত্র শক্তির আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)'র কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)'র প্রধান সমন্বয়কারী মাহফুজুল ইসলাম কিরণ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ১ নং যুগ্ম সমন্বয়কারী মোর্শেদুর রহমান আনিস, ২ নং যুগ্ম সমন্বয়কারী শামীম সারওয়ার, সদস্য নাহিদ হাসান প্রিন্স।সভায় উপজেলা জাতীয় ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব হাসান মাহমুদ জয়ের সঞ্চালনায় আহ্বায়ক আহসান হাবীব লিংকনসহ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।জাহিদ হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের অধিকার ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় থেকেই জাতীয় ছাত্র শক্তির যাত্রা শুরু। আমরা নতুন প্রজন্মকে ইতিবাচক রাজনীতির পথে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। সংগঠনকে সুসংগঠিত করে উপজেলার প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আমাদের কার্যক্রম বিস্তার করা হবে।মাহফুজুল ইসলাম কিরণ বলেন, জাতীয় ছাত্র শক্তি আমাদের সংগঠনের প্রাণ। তরুণরা দেশের উন্নয়ন ও সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকাশক্তি। তাদের আদর্শ, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধে গঠিত হওয়ার মাধ্যমে জাতীয় নাগরিক পার্টির আন্দোলন আরও বেগবান হবে।এসময় জাতীয় নাগরিক পার্টি, জাতীয় ছাত্র শক্তির নেতাকর্মী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য, আহত জুলাই যোদ্ধাসহ শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।

পত্নীতলায় পেটে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম

নওগাঁর পত্নীতলায় পেটে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম হয়েছে। আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর)  দুপুরে নজিপুর নিউ পপুলার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জোড়া লাগা যমজ শিশুর জন্ম হয়।জোড়া লাগা যমজ মেয়ে নবজাতকের মায়ের নাম তৃষ্ণা বাসকে। তিনি নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার চকযদু (টিএনটি) গ্রামের পল্লব মার্ডির স্ত্রী। তাঁর অস্ত্রোপচার করেন ক্লিনিকটির চিকিৎসক স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাঃ সুরভি সরকার। তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পল্লব মার্ডি তাঁর স্ত্রী তৃষ্ণাকে ক্লিনিকে ভর্তি করান। আজ দুপুর ১২টায় সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জোড়া লাগা দুটি কন্যাশিশু জন্ম দেন তৃষ্ণা বাসকে। ওই যমজ শিশু ও তাদের মা সুস্থ আছেন। নজিপুরে জোড়া লাগানো যমজ শিশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই বলে তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।

দুই মাথা-তিন হাতওয়ালা শিশুর জন্ম

নওগাঁয় বিরল শারীরিক গঠনের এক নবজাতকের জন্ম হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর,২.০০ টার দিকে নওগাঁ জেলা শহরের প্রাইম ল্যাব অ্যান্ড হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে দুই মাথা ও তিন হাতওয়ালা একটি নবজাতকের জন্ম দেন আরিফা নামে এক গৃহবধূ। জন্মের খবরে হাসপাতালে উৎসুক মানুষের ভিড়ও লক্ষ্য করা যায়।হাসপাতাল সূত্র জানায়, জন্মের পর নবজাতককে অত্যন্ত জটিল শারীরিক অবস্থার কারণে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির দেহে বিরল ধরনের জন্মগত বিকৃতি থাকায় শারীরিক বিভিন্ন অঙ্গের সঠিক কার্যকারিতা পাওয়া যায়নি। সব চেষ্টা সত্ত্বেও জন্মের মাত্র এক ঘণ্টা পর নবজাতকের মৃত্যু হয়।আরিফা নওগাঁ সদর উপজেলার রকির স্ত্রী। পরিবার সূত্রে জানা যায়, গর্ভাবস্থায় বেশ কয়েকবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হলেও শিশুর এমন শারীরিক গঠন আগেই ধরা পড়েনি। হঠাৎ এমন অবস্থার ঘটনায় পরিবার-পরিজন শোকাহত হয়ে পড়েছে।বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, দুই মাথা বা অতিরিক্ত অঙ্গসহ এ ধরনের শিশুর জন্ম সাধারণত বিরল জিনগত বা ভ্রূণ বিভাজনজনিত জটিলতার কারণে হয়ে থাকে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ভ্রূণের সঠিকভাবে বিভাজন না হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটতে পারে।মর্মান্তিক এ ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিবারকে মানসিক সহায়তার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হলেও চিকিৎসকরা এমন ঘটনার পেছনে কুসংস্কার নয়, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

অনলাইন জরিপ অনলাইন জরিপ

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৬ পিএম
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। তাদের এই সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন?

ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য জোট। তাদের এই সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ ১ জন
১

বিএনপি থেকে আক্তারুজ্জামানের জন্য দুঃসংবাদ

২

রাণীশংকৈলে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

৩

কোম্পানীগঞ্জ ট্রাক মালিক সমিতির নেতৃত্বে লাল মিয়া ও ফখরুল ইসলাম

৪

প্রফেসর নায়লা ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন

৫

ত্রিশালে এনাম ডেন্টাল এন্ড আই কেয়ার-এর ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

৬

খানসামায় রাতের অন্ধকারে সার পাচার: ডিলারের দৌরাত্ম্যে বিপর্যস্ত কৃষক, লাঞ্ছিত সাংবাদিক

৭

পদোন্নতির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বেরোবি উপাচার্যের সাথে শিক্ষকের বাক বিতণ্ডা

৮

খুলনায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু- ধানের শীষ জনগণের প্রতীক

৯

খানসামায় বন্ধ বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, উঠেছে প্রশ্ন

১০

খানসামায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাৎ ও আয়াকে নির্যাতনের অভিযোগ

জনপ্রিয় সব খবর
১

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

২

নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা,

৩

যে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন মেসি, সেটিই উঠছে নিলামে

৪

পূজার ছুটিতে বিশেষ বাস সার্ভিস চালু করছে বিআরটিসি

৫

প্রথমবার মেয়ের ছবি প্রকাশ, কী লিখলেন অপূর্ব?

৬

এফবিসিসিআইর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই ফজলুল হকের

৭

খানসামায় ১০০ টাকা কম দেয়ায়, টেস্ট পরীক্ষা দিতে পারল না দুই শিক্ষার্থী!

৮

বিমানবন্দরে ১৫ লাখ টাকার স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার রাশেদ

৯

চীনের জুহাই এয়ারশো'র ৩০ বছর, থাকছে নানা আয়োজন

১০

তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তায় আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

সর্বশেষ সব খবর

 বানিজ্য বানিজ্য

হিলিতে আরনু জুট মিলে ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরি,থানায় অভিযোগ

হিলিতে আরনু জুট মিলে ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরি,থানায় অভিযোগ

দিনাজপুরের হিলিতে আরনু জুট মিলে প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুইজনের নামসহ অজ্ঞাত আরো ১২ জনের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।গেলো ২১শে ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে হিলির আরনু জুট মিলে এ ঘটনা ঘটে।আজ শুক্রবার সকালে অভিযোগ দায়ের  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকির হোসেন।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আরনু জুট মিলের কর্তৃপক্ষ শেখ আব্দুস সাফী জুট মিলের মালামাল চুরির অভিযোগ দিয়েছে। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, মিষ্টি ও রাকিব হোসেন সহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে গেলো ২১শে ফেব্রয়ারি দিবাগত রাতে আরনু জুট মিলের মিলের পূর্বদিকের জানালার গ্রিল কেটে মিলের ভিতরে প্রবেশ করে অনুমান ১৫০ মিটারের ০৬ টি কেবল, মোট মূল্য অনুমান ১০,০০,০০০/-, ১২০ টি স্পিনিং মেশিনারিজের স্পেন্ডেল, মূল্য অনুমান ২,০০,০০০/- চুরি করে গ্রিল কাঁটা অংশ দিয়ে নিয়ে চলে যায়।অভিযুক্তরা হলেন, মিষ্টি (১৮), পিতা-মৃত হিরা, ২। মোঃ রাকিব হোসেন (২০), পিতা-ফেরদৌস হোসেন, উভয়ের সাং-ডাঙ্গাপাড়া, থানা-হাকিমপুর, জেলা-দিনাজপুর।হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, জুট মিলে চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন কর্তৃপক্ষ। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণই নতুন সরকারের প্রথম ‘এসিড টেস্ট’: হাফিজুর রহমান বাবলা

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণই নতুন সরকারের প্রথম ‘এসিড টেস্ট’: হাফিজুর রহমান বাবলা

পবিত্র মাহে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখাই নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান বাবলা। তিনি বলেন, দেশের মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্ত আস্থা নিয়ে এই সরকারকে সমর্থন দিয়েছে, রোজাদারদের স্বস্তি দেওয়ার মাধ্যমেই সেই আস্থার প্রতিদান দিতে হবে।হাফিজুর রহমান বাবলা বলেন, "কথায় আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। অর্থাৎ শুরু দেখলেই বোঝা যায় ভবিষ্যৎ কেমন হবে। তাই সরকারের উচিত শুরুটা সঠিকভাবে করে জনগণের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। তবে কাজটা যতটা সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা ততটা সহজ হবে না।বিগত শাসনের সমালোচনা করে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছর ধরে মানুষকে শোষণ করে মুনাফাখোররা এক বিশেষ ‘কুঅভ্যাসে’ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কেবল সুশীল পন্থায় বা নরম কথায় এই চক্রকে দমন করা অসম্ভব। এসব প্রতিকূলতা কাটাতে অত্যন্ত শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান প্রয়োজন, যা দেশ ও দলের স্বার্থেই অপরিহার্য।হাফিজুর রহমান বাবলার মতে, সরকারের সামনে এখন দুটি প্রধান অগ্নিপরীক্ষা: ​বাজার নিয়ন্ত্রণ: রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখা এবং সাপ্লাই চেইন সচল রাখা।​ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা: রমজান শেষে ঈদের ছুটিতে মানুষের বাড়ি ফেরা যেন যানজটমুক্ত ও ভোগান্তিহীন হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া।​তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বাঙালির দুর্ভাগ্য যে রমজানের মতো পবিত্র মাসেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্ট দেয়। এটি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বিষয়গুলো সফলভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছিল। নতুন সরকারের উচিত তাদের সফল কৌশলগুলো অনুসরণ করে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা। এটিই হবে বর্তমান সরকারের জন্য প্রকৃত 'এসিড টেস্ট।

হিলিতে পেঁয়াজের দাম  কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা

হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ১৫ টাকা

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বাড়ায় দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৩-১৫ টাকা কমেছে। রমজানকে ঘিরে যখন অনেক নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, তখন পেঁয়াজের এ দরপতনে স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে।আজ ২৩ ফেব্রুয়ারী (সোমবার) সকালে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুদিন আগেও বাজারে দেশী মুড়িকাটা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তা কমে ৩০-৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।বাজার করতে আসা মহিবুল ইসলাম জানান, রমজানের শুরুতে বাড়তি দামের কারণে চাহিদামতো পেঁয়াজ কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। এখন দাম কমায় কিছু টাকা বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে, যা দিয়ে অন্য বাজার করা সম্ভব।হিলি বাজারের খুচরা পেঁয়াজ বিক্রেতা আবুল হাসনাত জানান, নির্বাচনের কারণে কৃষকরা ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ উত্তোলন কমিয়ে দিয়েছিলেন। একই সময়ে রমজান শুরু হওয়ায় বাজারে বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে মোকামে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। তবে সম্প্রতি কৃষকরা রমজানকে ঘিরে পেঁয়াজ উত্তোলন বাড়িয়ে দেয়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেড়েছে। ফলে বাজারে দাম কমতে শুরু করেছে।বাজারসংশ্লিষ্টরা জানান, রমজানকে ঘিরে পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযান শুরু হয়েছে। এতে যারা পেঁয়াজ মজুদ করেছিলেন, তারাও এখন বাজারে পণ্য ছাড়তে শুরু করেছেন। সরবরাহ পরিস্থিতির এ উন্নতি অব্যাহত থাকলে সামনে দাম আরো স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় হিলি বন্দর দিয়ে সজনে ডাঁটা আমদানি

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় হিলি বন্দর দিয়ে সজনে ডাঁটা আমদানি

দেশের বাজারে চাহিদা থাকায় দিনাজপুরের   হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আমদানি হচ্ছে সজনে ডাঁটা। এসব সজনে ডাঁটা রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে বিক্রি হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।গতকাল রোববার থেকে ভারত হতে সজনে ডাঁটা-বোঝাই ট্রাক হিলি স্থলবন্দরে প্রবেশ করে।জাকি এন্টারন্যাশনাল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সজনে ডাঁটাগুলো আমদানি করেছে।আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সাকিব আহমেদ বলেন, ‘দেশীয় সজনে এখনও বাজারে আসেনি। দেশের সজনে গাছে ফুল এসেছে কেবল। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বাজারে ওষুধিগুণ সম্পন্ন এই সজনের বেশ চাহিদা ও ভালো দাম রয়েছে। এ ছাড়া ভারতীয় সজনে আমাদের দেশের সজনের চেয়ে আকারে বেশ মোটা ও স্বাদ ভালো হওয়ায় এর চাহিদা একটু বেশি। সেই বাড়তি চাহিদা ও ভালো দামের কথা মাথায় রেখে ভারত থেকে সজনে আমদানি করা হচ্ছে।’হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাঁধন বলেন, ‘ভারত থেকে আমদানি করা এসব সজনে ডাঁটা প্রতি টন ৫০০ মার্কিন ডলারে শুল্কায়ন করা হচ্ছে। এতে প্রতি কেজি সজনের আমদানি বাবদ ৩০ টাকার মতো শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। কাস্টমসের সব কার্যক্রম শেষে দ্রুত ছাড়করণে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

 সারাদেশ সারাদেশ

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী মনিরুজ্জামান মিতুল, পিতা শামসুল হক, উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের বেলোর পণ্ডিতপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর তাঁদের ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ফসল নষ্ট করা হয়েছে।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোরও প্রতিবাদ জানান তাঁরা।পরিবারটির দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও সেই বিরোধের জেরে একজন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তাঁরা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং জমিসংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেন।সংবাদ সম্মেলনে খানসামা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

২২ অক্টোবর ২০২৬

 সারাদেশ সারাদেশ

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী মনিরুজ্জামান মিতুল, পিতা শামসুল হক, উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের বেলোর পণ্ডিতপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর তাঁদের ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ফসল নষ্ট করা হয়েছে।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোরও প্রতিবাদ জানান তাঁরা।পরিবারটির দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও সেই বিরোধের জেরে একজন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তাঁরা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং জমিসংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেন।সংবাদ সম্মেলনে খানসামা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

২২ অক্টোবর ২০২৬

 রাজনীতি রাজনীতি

আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

শার্শায় / আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতি গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ

যশোরের শার্শায় পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে মোঃ রবিউল ইসলাম (৫৫) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড সভাপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার গোড়পাড়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে শার্শা থানা পুলিশ।গ্রেপ্তার রবিউল ইসলাম শার্শা উপজেলার ১১ নম্বর নিজামপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে পুলিশ জানিয়েছে। তিনি গোড়পাড়া কলোনীপাড়ার হাজী মোঃ লাল মিয়ার ছেলে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শার্শা থানার এফআইআর নং-২৩, তারিখ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং জিআর নং-৩০২-এর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ১৫(৩)/২৫ডি ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮-এর ৩/৪/৬ ধারায় দায়ের করা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শার্শা থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িত কিংবা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধী যে-ই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।”পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার আসামিকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের পাঠানো তথ্যে আদালতে পাঠানোর তারিখ ২ সেপ্টেম্বর উল্লেখ থাকায় বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।এদিকে শার্শা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সব জায়গায় অত্যাচারের উৎসব লেগে গেছে: মাহমুদুর রহমান মান্না

সব জায়গায় অত্যাচারের উৎসব লেগে গেছে: মাহমুদুর রহমান মান্না

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বাংলাদেশের সব জায়গায় বর্তমানে অত্যাচারের একটা উৎসব লেগে গেছে। মানুষের জীবন সুন্দর ও সুগম করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘রাষ্ট্র সংস্কার এবং সংবিধান বিতর্ক’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার এবং নাগরিক নারী ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী বেগম প্রমুখ।আইনশৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, একটি অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এমন পরিস্থিতি কাম্য ছিল না, যেখানে নারীরা ঘর থেকে বের হতে ভয় পাবেন এবং শিশুদের জীবনের কোনো গ্যারান্টি থাকবে না।কিশোরদের জীবন ‘সম্পূর্ণ রেস্ট্রিক্ট’ হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটা জীবন যদি সুন্দর করতে না পারেন, একটা কিশোরের জীবন বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে না পারেন, তাহলে সংস্কারটা কী?’বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদককে কোনো সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট মামলা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলেও অভিযোগ করেন মান্না।নিম্ন আদালত ও জেলা জজ আদালতে জামিনের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘নিম্ন আদালত আজ একশ্রেণির মানুষের দ্বারা দখল হয়ে গেছে।’দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে মান্না বলেন, সারা বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমেছে, তখন অযৌক্তিকভাবে বাংলাদেশে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের জন্য বরাদ্দ করা টাকা থাকা সত্ত্বেও কেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলো, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সুপারিশের প্রতিও অন্তর্বর্তী সরকার বা বর্তমান সরকার কেউই কর্ণপাত করেনি। চাল, ডাল, তেল, লবণসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ‘আগুন লেগেছে’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সংবিধান সংশোধন ও রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, স্বৈরাচার যাতে আর কখনো ফিরে আসতে না পারে, সে জন্য রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে সেই পথ বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা বা নেপালে অভ্যুত্থানের পর সংস্কারের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সরাসরি ভালো নির্বাচন দিয়ে দেশ সংকট কাটিয়ে উঠেছে। অথচ বাংলাদেশে সংস্কারের নামে দীর্ঘ বিতর্কে জড়িয়ে পড়া হয়েছে।সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে ‘সংবিধান পরিষদ’ গঠন নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, তা সুরাহার তাগিদ দিয়ে মান্না বলেন, পদ্ধতিগত দুর্বলতার কারণে প্রয়োজনীয় সংস্কার বা সংশোধন যেন পরবর্তী সময়ে আদালতের রায়ে বাতিল হয়ে না যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সজাগ থাকতে হবে।সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, তার বক্তব্য কোনো বিশেষ দলের বিরোধিতার জন্য নয়; বরং দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ও জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার স্বার্থে।তিনি সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, তাড়াহুড়ো করে সংবিধান সংশোধনসহ কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সব রাজনৈতিক দল ও অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা উচিত। জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং গণভোটের ম্যান্ডেট সঠিকভাবে প্রতিপালন করতে হবে। এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা শেষ পর্যন্ত পুরো জাতিকে আবার অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।

এনসিপিকে ১ লাখ টাকা সংগ্রহ করে দেবেন রাশেদ খাঁন

জামায়াতের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা ভিক্ষা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে এনসিপি। হয়তো সেই ভিক্ষার টাকা পরিশোধ করার জন্য এনসিপিকে এখন গণভিক্ষা কর্মসূচি চালু করতে হচ্ছে। জামায়াতের পক্ষে খ্যাপ মারতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, শোনা যাচ্ছে, সামনে স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত নাকি এনসিপিকে আর ভিক্ষা দেবে না। এ ছাড়া অতীতে বন্যার টাকা মেরে দেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন গণভিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও স্থানীয় নির্বাচনের ফান্ড উত্তোলনে আবারও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গণভিক্ষা কার্যক্রমে জোর দেবে এনসিপি। আমি ঘোষণা দিচ্ছি, এনসিপি যদি এককভাবে স্থানীয় নির্বাচন করে, তবে তাদের গণভিক্ষা তহবিলে আমি ১ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে দেব।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।পোস্টে তিনি বলেন, আর হাসনাত আব্দুল্লাহকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছিলেন রুমিন ফারহানা আপা। জানি না, রুমিন ফারহানা আপার ভাষায় সেসব ফকিন্নির বাচ্চারা ১৮ মাসে লাগামহীন দুর্নীতি করে এখন জমিদারের বাচ্চা বনে গেছে কি না। নতুবা আলিশান কার্যালয় ও ফ্ল্যাট ভাড়া দেওয়া এবং জমিদারি ভাবসাব নিয়ে চলাচলের অর্থ পায় কোত্থেকে? একটা গণঅভ্যুত্থান এদের এক ডজন নেতার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছে। এরা মনে করছে, এদের ১৮ মাসের অবাধ লুটপাটের ইতিহাস মানুষ এত সহজে ভুলে গেছে।রাশেদ খাঁন লেখেন, বিএনপির লোকজন ১৭ বছর ক্ষুধার্ত থেকেও আন্দোলন করেছে। কিন্তু সেসময় হাসনাত আব্দুল্লাহরা ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানীর লুঙ্গির তলে থাকা ছাড়া আর কী ভূমিকা রেখেছে? বুঝলাম, বিএনপির ওপর মানুষ আস্থা পায়নি বলে ১৭ বছর আন্দোলনে নামেনি। কিন্তু নাহিদ ইসলামদের ওপর আস্থা রাখলে জনগণ কেন তাদের ক্ষমতায় বসালো না? শোনেন, মানুষ কি ভুলে গেছে জামায়াত-এনসিপির প্রধান বিরোধীদল হওয়ার জন্য কামড়াকামড়ির ইতিহাস?মূল বিষয় হলো, বিএনপি এনসিপিকে জাতীয় পার্টির মতো বিরোধীদল বানাতে রাজি না হওয়ায় এনসিপি জামায়াত জোটে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিএনপির এ সিদ্ধান্তে জামায়াত উপকৃত হয়েছে এবং গণতন্ত্র গৃহপালিত বিরোধীদলের তকমা থেকে রেহাই পেয়েছে। জানি, এজন্য বিএনপির ওপর এনসিপির প্রচুর ক্ষোভ আছে। তবে একথা বলতেই হয়, নতুন বন্দোবস্তের ঠিকাদার এ এনসিপি ক্ষমতার জন্য ছোট্ট বয়সে একটা ধান্ধাবাজ দলে পরিণত হয়েছে।একইপোস্টে অন্তর্বর্তী সরকার আরও কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে, এনসিপির নেতারা দুর্নীতি ও অর্থপাচারে আওয়ামী লীগকেও পেছনে ফেলত বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী।

এনসিপিকে ১ লাখ টাকা সংগ্রহ করে দেবেন রাশেদ খাঁন

উত্তরায় সাবেক এমপির বাসা থেকে গ্রেপ্তার ১৫

রাজধানীর উত্তরার ৭ নম্বর সেক্টরে বরগুনা-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মো. শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বাসা থেকে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক ক্ষুদে বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ বিভাগ।ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের ওই বাসায় অবস্থানের কারণ এবং তারা সেখানে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এসময় সেখানে অবস্থানরত ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিদের পরিচয় ও তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।শওকত হাসানুর রহমান রিমন ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

উত্তরায় সাবেক এমপির বাসা থেকে গ্রেপ্তার ১৫

সর্প দংশন করা, ওঝা হয়ে ঝাড়ার নাটক আর দেখতে চাই না

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান রাজধানীর মিরপুরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা পরিদর্শনের সময় বলেছেন, অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘সর্প দংশন করা, ওঝা হয়ে ঝাড়ার নাটক আমরা দেখতে চাই না।’সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাড্ডা ক্লিনিক পরিদর্শন শেষে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে আর যেন কোনোদিন কোনো দুর্বৃত্ত এসে এখানে হাত দিতে না পারে, তার যথাযথ ব্যবস্থা করা হোক। আর যে দুর্বৃত্তরা এই কর্ম করেছে, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইনের আওতায় এনে এমন শাস্তি দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের সামাজিক অপকর্ম করার সুযোগ না পায়।’জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপমান করা হচ্ছে। এভাবে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।জামায়াত আমির বলেন, ‘বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবায় যে জনবল থাকা দরকার, তার অর্ধেকই নেই। সেই অর্ধেক জনবল নিয়ে কুড়িয়ে কুড়িয়ে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা চলছে। সুতরাং সব জায়গায় সরকারকে অবশ্যই মানবিক ও যৌক্তিক আচরণ করতে হবে। এ ধরনের দুর্বৃত্তপনা বন্ধ করতে হবে।’জামায়াত আমির দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলেন, ‘আমরা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। এই তিন-চার দিনে রাজধানী ঢাকায় কয়েকটি ঘটনা ঘটে গেল।’ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জমিজমার সমস্যা থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে। সংবিধান ও আইনে তার যথাযথ পন্থা রয়েছে। তাই বলে কারও সম্পদের ওপর এ ধরনের গুন্ডা-সন্ত্রাসীরা হাত দেবে, তার কোনো সুযোগ নেই।’হামলার ঘটনাকে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন এর দলীয় কালার দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। কোনোরকমে একজন-দুজনকে টেনে এনে বিরোধী দলকেও এখানে হাজির করা যায় কি না-এমন চেষ্টা হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘আমি খুব দৃঢ়ভাবে বলছি, এ ধরনের অপকর্মের সঙ্গে আমার দলের লোক তো দূরের কথা, আমি নিজেও যদি জড়িত থাকি, আমাকে যেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্ষমা না করে। আমাকেও যেন আইনের আওতায় নেয়।’জামায়াত আমির বলেন, ‘নিশ্চয়ই সরকারি দলের আশ্রয়-প্রশ্রয় ছাড়া এত বড় অপকর্ম করার সাহস কেউ করবে না।’ তিনি বলেন, ‘গাছের গোড়া কেটে মাথায় পানি দেবেন-আপনারা এটা জনগণ দেখতে চায় না। আমরা সর্প দংশন করা, ওঝা হয়ে ঝাড়ার নাটক দেখতে চাই না। আমরা দেখতে চাই, অপরাধী যে-ই হোক, তাকে যেন আইনের আওতায় আনা হয়।’এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের জন্য প্রাথমিক সহায়তা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তিনি। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এটা দিয়ে শুরু, এটা শেষ নয়। প্রয়োজনে এই এলাকার মানুষের চিকিৎসার জন্য আরও যদি কিছু করতে হয়, তাও করব ইনশাআল্লাহ।’

সর্প দংশন করা, ওঝা হয়ে ঝাড়ার নাটক আর দেখতে চাই না

দিনাজপুরের / বীরগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুসিয়ারী ।

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা, প্রতিবাদে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ছাত্রদলের আহবানে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল ও  সমাবেশ হতে কঠোর হুসিয়ারী দেয়া হয়েছে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে  ।দেশ বিরোধী এক শ্রেণীর চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীরা পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকার প্রতিবাদে রবিবার বিকেলেও বীরগঞ্জে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদল আয়োজনে এক বিরাট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।ছাত্রদলের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী আকাশ সম্ভাব্য উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত থেকে কর্মসূচী সফল করেছে।ছাত্রদলের সদস্য সচিব নাঈমুর রহমান পুষ্প কর্মসূচির সঞ্চালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছে। শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির উপদেষ্টা, সাবেক ভিপি,  চেম্বার অফ কমার্সের পরিচালক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি, আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজওয়ানুল ইসলাম রিজু। পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আমিরুল বাহার, সাধারণ সম্পাদক নমিরুল ইসলাম চৌধুরী সেনা, উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুজালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রর্থী শওকত জুলিয়াস জুয়েল। বিশিষ্ট নেতা উপজেলা বিএনপি নির্বাহী সদস্য, মেয়র প্রার্থী, বাবু সুভাষ দাস, ইউপি চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহেদুল ইসলাম মাজু, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সবার প্রীয় নেতৃত্ব শাহজাহান সিরাজ শিপন।পৌর যুবদল আহবায়ক আরিফ মাসুম পল্লব,  মমতাজুল করিম তাজু, মোহনপুর ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফেরদৌস হোসেন মন্ডল, ভোগনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিক হোসেনসহ স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদল, মহিলাদল, বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বক্তাগণ কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন এটা বিনা ভোট বা রাতের ভোটের হেনোতেনো সরকার নয়, কাজেই যত ষড়যন্ত্র করা হউক না কেন কাজে আসবে না।বিএনপি জনগনের সরকার, জনগন বিপুল ভোট দিয়ে তাদেরকে নির্বাচিত করে ক্ষমতায় বসিয়েছে, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে তারাই প্রস্তুত এবং রুখে দিবে তাতে সন্দেহ নাই। বক্তারা সর্বদা সজাগ আছেন এবং  দলীয় নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার  আহবান জানিয়েছেন। বিক্ষোভ সমাবেশের পুর্বে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ছাত্রদলের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে। স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল ছিল পৌর শহর।

বীরগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুসিয়ারী ।

 সারাদেশ সারাদেশ

সকল জেলার খবর
high2

আর্কাইভ

 সারাদেশ সারাদেশ

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

খানসামায় ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগে ফসল নষ্টের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি পরিবারের

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট, মিথ্যা মামলায় হয়রানি এবং ঘটনাকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে একটি পরিবার।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের দাবি জানানো হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী মনিরুজ্জামান মিতুল, পিতা শামসুল হক, উপজেলার গোয়ালডিহি ইউনিয়নের বেলোর পণ্ডিতপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ অক্টোবর তাঁদের ধানক্ষেতে আগাছানাশক প্রয়োগ করে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ফসল নষ্ট করা হয়েছে।লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এ ঘটনায় ১৬ জনের বিরুদ্ধে খানসামা থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলেও দাবি করেন তাঁরা। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়, জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ঘটনাটিকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে যেসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, সেগুলোরও প্রতিবাদ জানান তাঁরা।পরিবারটির দাবি, জমি নিয়ে বিরোধ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও সেই বিরোধের জেরে একজন কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল নষ্ট করার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। তাঁরা ঘটনাটিকে রাজনৈতিক বিরোধ নয়, বরং জমিসংক্রান্ত পারিবারিক বিরোধ হিসেবে উল্লেখ করেন।সংবাদ সম্মেলনে খানসামা উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষতিগ্রস্ত ধানক্ষেত সরেজমিনে পরিদর্শন, কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ফসলের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জমি নিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

ইভেন্ট

লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন