দৈনিক উত্তরের নিউজ
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

ভূমি মালিকদের হয়রানি, নামজারি-রিপোর্টেও টাকা দাবির অভিযোগে

খানসামায় ভূমি মালিকদের হয়রানি নামজারি-রিপোর্টেও টাকা দাবি, উত্তপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ

খানসামায় ভূমি মালিকদের হয়রানি নামজারি-রিপোর্টেও টাকা দাবি, উত্তপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ

৪০৫০ টাকার বিকাশ, ২২৪০ টাকার দাখিলা! খানসামা ভূমি অফিসে গরমিল ও ভয়ভীতি

 উত্তপ্ত ইউনিয়ন; কর্মকর্তার অকথ্য ভাষা আরও উত্তেজনা তৈরি করেছে।

 গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে অনিয়ম ও ভয়ভীতির অভিযোগে উত্তপ্ত পরিবেশ। একের পর এক অভিযোগের পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা চাইছেন।

সর্বশেষ অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সাদেক বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বিকাশ নম্বর 01768906707 থেকে ৪ হাজার ৫০ টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু দাখিলায় প্রদর্শিত হয়েছে মাত্র ২ হাজার ২৪০ টাকা। ঘটনা ঘটে ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের হাসিমপুর মৌজার ১৪৯৮ খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সময়।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, অতিরিক্ত টাকার হিসাব জানতে চাইলে আব্দুস সাদেক ভূমি মালিকদের নানা রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে ফাইল আটকে রাখা, কাজ বিলম্ব করা বা ভবিষ্যতে হয়রানির হুমকি দেখানো হয়।

এছাড়া, তাঁর বিরুদ্ধে নামজারি বা মিউটেশনের তদন্ত রিপোর্ট নিতে প্রতি আবেদন থেকে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। টাকা না দিলে রিপোর্ট আটকে রাখা বা নেতিবাচক মন্তব্য যোগ করার হুমকি দেখানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

স্থানীয়রা বলছেন, এক বছরের মধ্যে বারবার এমন অনিয়ম ও ভয়ভীতির মুখোমুখি হয়েছি। সাধারণ ভূমি মালিকরা একের পর এক হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে সংবাদকর্মীরা সরাসরি কর্মকর্তা আব্দুস সাদেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন, এরপরেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ ঘটনা আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়িয়েছে।

তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ ওঠার পরও কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই? তারা দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস জানান, এই বিষয়ে আমি মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬


খানসামায় ভূমি মালিকদের হয়রানি নামজারি-রিপোর্টেও টাকা দাবি, উত্তপ্ত ইউনিয়ন পরিষদ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image


৪০৫০ টাকার বিকাশ, ২২৪০ টাকার দাখিলা! খানসামা ভূমি অফিসে গরমিল ও ভয়ভীতি

 উত্তপ্ত ইউনিয়ন; কর্মকর্তার অকথ্য ভাষা আরও উত্তেজনা তৈরি করেছে।


 গোয়ালডিহি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ে অনিয়ম ও ভয়ভীতির অভিযোগে উত্তপ্ত পরিবেশ। একের পর এক অভিযোগের পরও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা চাইছেন।


সর্বশেষ অভিযোগ অনুযায়ী, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সাদেক বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বিকাশ নম্বর 01768906707 থেকে ৪ হাজার ৫০ টাকা গ্রহণ করেন। কিন্তু দাখিলায় প্রদর্শিত হয়েছে মাত্র ২ হাজার ২৪০ টাকা। ঘটনা ঘটে ৬নং গোয়ালডিহি ইউনিয়নের হাসিমপুর মৌজার ১৪৯৮ খতিয়ানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের সময়।


ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, অতিরিক্ত টাকার হিসাব জানতে চাইলে আব্দুস সাদেক ভূমি মালিকদের নানা রকম ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে ফাইল আটকে রাখা, কাজ বিলম্ব করা বা ভবিষ্যতে হয়রানির হুমকি দেখানো হয়।



এছাড়া, তাঁর বিরুদ্ধে নামজারি বা মিউটেশনের তদন্ত রিপোর্ট নিতে প্রতি আবেদন থেকে এক হাজার থেকে দুই হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। টাকা না দিলে রিপোর্ট আটকে রাখা বা নেতিবাচক মন্তব্য যোগ করার হুমকি দেখানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।


স্থানীয়রা বলছেন, এক বছরের মধ্যে বারবার এমন অনিয়ম ও ভয়ভীতির মুখোমুখি হয়েছি। সাধারণ ভূমি মালিকরা একের পর এক হয়রানির শিকার হচ্ছেন।


এ বিষয়ে সংবাদকর্মীরা সরাসরি কর্মকর্তা আব্দুস সাদেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন, এরপরেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ ঘটনা আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়িয়েছে।



তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, একই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ ওঠার পরও কেন এখনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই? তারা দ্রুত তদন্ত, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।



এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অয়ন ফারহান শামস জানান, এই বিষয়ে আমি মৌখিকভাবে কিছু অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

সম্পাদকঃ নুর আমিন
সহ-সম্পাদকঃ আরকে. রাসেদ খান
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ