দৈনিক উত্তরের নিউজ
প্রকাশ : সোমবার, ০১ জুন ২০২৬

৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনর অনন্য দৃষ্টান্ত ।

৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনর অনন্য দৃষ্টান্ত     ।

ময়মনসিংহ মহানগরীতে কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক)। পবিত্র ঈদুল আজহার দিন মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব এলাকা থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হওয়ায় নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছে মসিক কর্তৃপক্ষ।

পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ঈদের দিন দুপুর থেকেই মাঠে নামেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন । তার ঘোষণা ছিল ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন করা হবে পুরো নগরী। মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের আগেই সেই লক্ষ্য অর্জন করে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে মহানগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। পরে তিনি নগরীর কালীবাড়ি,গাঙ্গিনার পাড়,জিলা স্কুল এলাকা, টাউন হল এলাকা,

চড়পাড়া,কৃষ্টপুর,বলাশপুর,পাটগুদাম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে দেখেন।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ৮ শতাধিক জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিরলসভাবে কাজ করেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে দ্রুততার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। এ কাজে প্রয়োজনীয় যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম ও জনবল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত ছিল।

সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মহব্বত আলী জানান, এবছর ৫১৬ টি স্পটে কোরবানির পশু জবাই করা হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যেই পাড়া-মহল্লায় এসব স্পট থেকে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করে ভ্যানযোগে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এ স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এসটিএস থেকে মূল ভাগাড়ে বর্জ্য অপসারণের কাজও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা হয়।

এই সফলতায় নগরবাসী, পরিচ্ছন্নকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন। 

তিনি বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই নগরীর

৫১৬ স্পটে জবাই করা কোরবানির পশুর বর্জ্য বিকাল ৫ টার মাঝে নগরীর প্রধান সড়কগুলো থেকে এবং ৬ টার মাঝে সকল অলিগলিতে থাকা বর্জ অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান- পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছে। সেই উপহার পেয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আনন্দ উৎসাহ মূখর পরিবেশ কাজ করেছে। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। 

 নির্ধারিত সময়ের আগেই মহানগরী পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করায় স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

কালিবাড়ী এলাকার কয়েকজনবাসিন্দা জানান, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরী পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।

গাঙ্গিনার পাড় এলাকার কয়েকজন বলেন, পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণের উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হয়েছে।

কৃষ্টপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, ঈদের দিনেও প্রশাসক নিজে মাঠে থেকে কাজ তদারকি করেছেন। এত দ্রুত বর্জ্য অপসারণ হওয়ায় কোনো দুর্গন্ধ বা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।

মসিক-এর প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ঈদের বর্জ্য সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হবে। তবে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের দ্রুত ও সমন্বিত কার্যক্রমের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো শহর পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে শহর পরিষ্কার হওয়ায় দুর্ভোগ কমেছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, এবার প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকনের উদ্যোগে নগরীর প্রায় -- হাজার মুসলিম পরিবারের মধ্যে কোরবানির মাংস ও বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে গরু বা মহিষ কোরবানিদাতাদের জন্য ২টি করে বড় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ১ কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং ছাগল বা ভেড়া কোরবানিদাতাদের জন্য ১টি করে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ৫০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করা হয়। এই যুগান্তকারী উদ্যোগটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন নগর বিশ্লেষকরা।

এর আগে প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিদর্শন করে পরিদর্শন করে তিনি রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক উত্তরের নিউজ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


৮ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনর অনন্য দৃষ্টান্ত ।

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬

featured Image


ময়মনসিংহ মহানগরীতে কোরবানির বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের আগেই অপসারণ করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক)। পবিত্র ঈদুল আজহার দিন মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব এলাকা থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হওয়ায় নগরবাসীর প্রশংসায় ভাসছে মসিক কর্তৃপক্ষ।


পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ঈদের দিন দুপুর থেকেই মাঠে নামেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন । তার ঘোষণা ছিল ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিচ্ছন্ন করা হবে পুরো নগরী। মাঠপর্যায়ে কঠোর তদারকির মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের আগেই সেই লক্ষ্য অর্জন করে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ।


জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে মহানগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। দুপুরে নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। পরে তিনি নগরীর কালীবাড়ি,গাঙ্গিনার পাড়,জিলা স্কুল এলাকা, টাউন হল এলাকা,

চড়পাড়া,কৃষ্টপুর,বলাশপুর,পাটগুদাম সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে দেখেন।


ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ৮ শতাধিক জন পরিচ্ছন্নকর্মী নিরলসভাবে কাজ করেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে দ্রুততার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি নগরীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার ও জীবাণুনাশক ছিটানো হয়। এ কাজে প্রয়োজনীয় যানবাহন, আধুনিক সরঞ্জাম ও জনবল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়োজিত ছিল।


সিটি কর্পোরেশন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মহব্বত আলী জানান, এবছর ৫১৬ টি স্পটে কোরবানির পশু জবাই করা হয়েছে। দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যেই পাড়া-মহল্লায় এসব স্পট থেকে কোরবানির বর্জ্য সংগ্রহ করে ভ্যানযোগে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এ স্থানান্তর করা হয়। পরবর্তীতে এসটিএস থেকে মূল ভাগাড়ে বর্জ্য অপসারণের কাজও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করা হয়।


এই সফলতায় নগরবাসী, পরিচ্ছন্নকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন। 


তিনি বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ও পরিচ্ছন্নকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই নগরীর

৫১৬ স্পটে জবাই করা কোরবানির পশুর বর্জ্য বিকাল ৫ টার মাঝে নগরীর প্রধান সড়কগুলো থেকে এবং ৬ টার মাঝে সকল অলিগলিতে থাকা বর্জ অপসারণ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান- পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের এবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৫হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছে। সেই উপহার পেয়ে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আনন্দ উৎসাহ মূখর পরিবেশ কাজ করেছে। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। 


 নির্ধারিত সময়ের আগেই মহানগরী পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়েছে। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।


এদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করায় স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।


কালিবাড়ী এলাকার কয়েকজনবাসিন্দা জানান, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা সত্যিই প্রশংসনীয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই নগরী পরিষ্কার হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।


গাঙ্গিনার পাড় এলাকার কয়েকজন বলেন, পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণের উদ্যোগটি খুবই ভালো লেগেছে। এতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সহজ হয়েছে।


কৃষ্টপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, ঈদের দিনেও প্রশাসক নিজে মাঠে থেকে কাজ তদারকি করেছেন। এত দ্রুত বর্জ্য অপসারণ হওয়ায় কোনো দুর্গন্ধ বা ভোগান্তি পোহাতে হয়নি।


মসিক-এর প্রশাসক রুকুনোজ্জামান রোকন আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ঈদের বর্জ্য সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হবে। তবে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের দ্রুত ও সমন্বিত কার্যক্রমের কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো শহর পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতি বছরের তুলনায় এবার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে শহর পরিষ্কার হওয়ায় দুর্ভোগ কমেছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।


উল্লেখ্য, এবার প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকনের উদ্যোগে নগরীর প্রায় -- হাজার মুসলিম পরিবারের মধ্যে কোরবানির মাংস ও বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বিতরণ করা হয়। এরমধ্যে গরু বা মহিষ কোরবানিদাতাদের জন্য ২টি করে বড় পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ১ কেজি ব্লিচিং পাউডার এবং ছাগল বা ভেড়া কোরবানিদাতাদের জন্য ১টি করে পরিবেশবান্ধব ব্যাগ ও ৫০০ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করা হয়। এই যুগান্তকারী উদ্যোগটি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন নগর বিশ্লেষকরা।


এর আগে প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে পরিদর্শন করে পরিদর্শন করে তিনি রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিনে ফেলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করেন।


দৈনিক উত্তরের নিউজ

সম্পাদকঃ নুর আমিন
সহ-সম্পাদকঃ আরকে. রাসেদ খান
প্রকাশকঃ এম কে পুলক আহম্মেদ
Email: dainikauttareraniuja@gmail.com
web www.dainikuttarernews.com

কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উত্তরের নিউজ